নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভাল
নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভাল,
যুগ জনমের বন্ধু আমার আঁধার ঘরের আঁলো।
সবাই মোরে ছাড়তে পারে, বন্ধু যারা আছে,
নিন্দুক সে ছায়ার মত থাকবে পাছে পাছে।
বিশ্বজনে নিঃস্ব করে পবিত্রতা আনে,
সাধক জনে নিস্তারিতে তার মত কে জানে?
বিনামূল্যে ময়লা ধুয়ে করে পরিষ্কার,
বিশ্বমাঝে এমন দয়াল মিলবে কোথা আর?
নিন্দুকে সে বেঁচে থাকুক বিশ্ব হিতের তরে;
আমার আশা পূর্ণ হবে তাহার কৃপা ভরে।
সেদিন ব্লগে ঘুরতে ঘুরতে সামহ্যোয়ারইন ব্লগে এই কবিতাটা খুজে পেলাম।ব্লগারের নাম মনে করতে পারছিনা বলে দুঃখিত।মূলত কবিতাটা সংগ্রহে রাখার জন্যই আমার এই ব্লগে কবিতাটা প্রকাশ করে দিলাম।সাথে অবশ্যই পাঠকের সাথে শেয়ার করার ইচ্ছেও কাজ করেছে।
আপু,তোমাকে ভালবাসি বলেই এ লেখা।
অনেকবার তোমাকে লিখতে গিয়েও সভাবগত কারণে কীবোর্ড থেকে আমার আঙ্গুলগুলো সরে গেছে বার বার । কারণ আমার ভাললাগার,ভালবাসার কথা আমি কখনোই প্রকাশ করতে পারিনা। কতবার ভেবেছি মেসেঞ্জারে তোমার কোন সাড়া না পেয়ে আমার যে কত খারাপ লেগেছে এই কথাটা বলব। কিন্তু পারিনি,কারণ এতেও প্রাকাশ হয় যে আমি তোমাকে কত ভালবাসি।
মেসেঞ্জারে তোমাকে নক করেও কোন সাড়া পেলাম না। পরে আমি অনলাইনে থাকলেও দেখি তুমি আমাকে আর নক করলে না। আমি তো ভেবে ভেবে সারা। কি হল?তুমি কি কোন কারণে আমার উপর রাগ করলে!কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। আমার খুব খারাপ লাগছিল। সবসময় মাথার মধ্যে শুধু ঘুরতেছে , আমাকে একটা নক করলে না কেন?একটা কল দিলে না কেন?
জানো,তোমাকে নিয়ে নিজের মনেই একটা গল্প তৈরি করে ফেলেছিলাম কিন্তু সেই গল্পটা আর বলা হয়নি।পরে জানলাম তোমার গল্পটি ঠিক আমার কল্পনার মত নয়। একদম অন্যরকম।আর সেটাই অনেক বেশি সুন্দর!
আমার অনেক সময় মনে হয়েছে আমার একটা বড় আপু থাকলে ভাল হত। এখন তোমাকে পেয়ে আমার সেই চাওয়া পূরণ হল। তোমাকে একটা অনুরোধ,কখনোই কোন কারণে ভুল বুঝনা আমাকে।তাহলে খুব কষ্ট পাবো।খু-উ-ব।কারণ আমি তোমাকে ভালবাসি।
জানো,জীবনে এই প্রথম কাউকে বললাম,”আমি তোমাকে ভালবাসি।”
আজ আমার মন খারাপ- ভীষণ খারাপ।আপু, জানতে চেওনা কেন মন খারাপ।
আর একটা কথা কখনো নিরাশ হয়োনা। এই দিনগুলি একদিন শেষ হবেই।ভালো থেকো… আমার প্রত্যাশার চেয়েও বেশী করে।
###আপু নো কমেন্ট,নো কল।কিন্তু একটা মেইল দিও মন হালকা হওয়ার মত করে।
ডায়েরীর পাতা-২
কোন একটা কিছু লিখতে গেলে ভূমিকাটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। কি করে শুরু করি ভাবতে ভাবতেই অনেক অনুভূতিই হয়ে যায় অতীত। অথচ সেইসব অনুভূতি কখনই ফেলনা নয়। আবার পরে যখন সেটা নিয়ে ভাবি,মনে হয় নাহ,ভালই তো হল। কিছু অনুভূতি ভাষাহীন শূন্যতায় মিলিয়ে যায় –যাক না! সব অনুভূতিকেই কী ভাষায় মূর্ত করে তুলতে হবে; নাকি চাইলেই সেটা পারা যায়! কোন কোন অনুভূতি আছে যেগুলো ভাষার সীমাব্ধতায় আবদ্ধ করলেই বরং মলিন হয়ে যায়। সব কিছুকেই ভাষায় মূর্ত করে তোলার চেষ্টা আর করবনা ; বিমূর্ত কিছু থাক না পড়ে স্মৃতির অতলে। যদি কখনো ইচ্ছে করে সেই অনুভূতির শীতল বৃষ্টিতে প্রাণভরে ভিজি আরও একবার অথবা এমন কোন কষ্ট -যার আঘাতে বার বার কাঁদতে ও সুখ-তাহলে স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে কী তুলে আনতে পারবনা সেই কষ্ট কষ্ট সুখ কিংবা সুখ সুখ কষ্টের মুক্তোকণাগুলোকে!
এই যে লিখলাম কয়েকটা লাইন ,এই যে ছোট্ট একটা অনুভূতির ভাষারূপ দিলাম – এর শব্দের পরতে পরতে ; এর ভাষার অন্তরালে ও হয়তো লুকিয়ে আছে অন্য কোন অনুভূতি। ভাষাহীন হয়েও যে নির্বাক নয়; আবার এই ভাষার মাঝে ও তাকে খুজে পাওয়া যায়না। অথচ…।
একটা গোপণ কথা বলব তোমায়…।
প্রথমেই বলে রাখি, হেডিং দেখে যদি রোমান্টিক কিছু পড়ার আশায় আমার পোস্টে ঢুকে থাকেন তাহলে ভুল করেছেন।আমার কথা সত্যি কিনা পড়া শুরু করলেই বুঝতে পারবেন।কি, মিথ্যে বলছি বলে মনে হচ্ছে? তাহলে আর দেরী কেন? আপনি পড়াটা শুরু করে দিননা।
“কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল/ চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।।”
–প্রথম যখন চর্যার পদটা পড়লাম মনে হল দাঁতগুলি বুঝি অকালেই গেল! কিন্তু উপায় নেই…পড়তে যে হবেই! শুধু পড়া না, পড়ে বুঝতে হবে, লিখতেও হবে!!!কি আর করা সৃষ্টিকর্তার (চর্যার সৃষ্টিকর্তা নয়,আমার সৃষ্টিকর্তা) নাম নিয়ে পড়া আরম্ভ করলাম যেন আমার দাঁতগুলো বহাল তবিয়তে বহাল থাকে।পড়তে পড়তে কতবার মনে হল এই বুঝি দাঁতগুলো কড়মড় করা শুরু করেছে! এবার বুঝি শেষ! দাঁতের শোকে কাতর আমি অবশেষে যখন “চর্যাপদ” পড়া শেষ করলাম (অর্থ বোঝার ব্যপারটা তখনো “দূর বহুদূর…”) তখন “আমি পড়িলাম,আমি ইহা পড়িলাম” টাইপের একটা নিঃশাস বেরিয়ে এল! আজ যখন “চর্যাপদ” টা হাতে নিলাম দাঁতগুলির উপস্তিতির আনন্দে চর্যাপদ নিয়ে লিখে ফেললাম দু’লাইন। যদি ও জানি যে, যা লিখলাম তা পাঠকের অজানা কিছু নয়।অজানা যা সেটুকু এতক্ষণে পড়া শেষ। বাকিটুকু পড়ুন
ইদানিং
কারে যেন খুজে ফিরে
উদাসী চোখের নদী!
জানি,সে তুমি।
পৌনঃপৌনিক ফিরে আসে সেইসব রাত্রির কোলাহল
আলেয়ার পিদিম জেলে ডাক দিয়ে যায়—বেদনায়—!
শুধু নেই তোমার আহবান।
নেই সেই ফিরে আসা গান!
অথচ তোমার তরে
কী নিদারুণ আর্তি; আমার
চোখে,হৃদয়ে,মনে ও মননে-
মস্তিস্কের প্রতি নিউরনে!
কবিতা ও আমি।
কবিতা হচ্ছে আমার সবচেয়ে প্রিয়। না, আমি কোন বান্ধবীর কথা বলছিনা। আমি সে কবিতার কথাই বলছি যে কবিতা নিয়ে কোলেরিজ বলেছেন,”বেস্ট ওয়ার্ড ইন দ্যা বেস্ট অর্ডার’।” সংস্কৃতে যাকে বলা হয়,”শব্দাথৌ সহিতো কাব্যং।” আমি তার কথা বলছি যে শব্দ,ছন্দ,লয়,মাত্রা সবকিছু মিলিয়ে মূর্ত হয়ে উঠে পাঠককে বিমূর্ত কিছু স্পর্শ করার তৃপ্তি পাইয়ে দেয়।
বুঝি বা না বুঝি কবিতা পড়তে কিন্তু আমার দারুণ লাগে!আর অন্যকিছুর চেয়ে তাই কবিতাটা বেশিই পড়ি। ভাবি কবিদের মানুষের মন পড়ে ফেলার আলৌকিক শক্তি আছে মনে হয়। তা নাহলে অন্যের মনের কথাগুলো এভাবে বলে দেওয়া কী সহজ?মাঝে মাঝে তো লজ্জাই লাগে যে আমার মনের গভীরে লুকানো ফাইজলামির খবর কবিরা কী করে জেনে নিয়ে কবিতায় প্রকাশ করে ফেলেছেন বলে!!!;)
যে কথাটি বলার জন্য এত আয়োজন সেটা হচ্ছে আমার নিজের মাঝে যে কোন ভাবকে কবিতার মত করে ফুটিয়ে তোলার আগ্রহটা প্রবল।কবিতা না বলে কবিতার মত বলছি এজন্য যে,আমার লেখাগুলো এখনো কবিতা হয়ে উঠেনি। কিন্তু কয়েকদিন থেকে দেখছি আমি কোন কবিতা(আসলে কবিতার মত কিছুঃ)) লিখছিনা। বাকিটুকু পড়ুন





Recent Comments